ঢাকা শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৫ °সে


ব্যবসায় ডাটার ব্যবহারে সহায়তা করছে ইজেনারেশন-মাইক্রোসফট

ব্যবসায় ডাটার ব্যবহারে সহায়তা করছে ইজেনারেশন-মাইক্রোসফট
ওয়েস্টিনে গোলটেবিল বৈঠকে অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

আইটি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ইজেনারেশন লিমিটেড এবং মাইক্রোসফট যৌথভাবে ‘ডিজিটাল ফাস্ট-মর্ডান ওয়ার্কপ্লেস : এনগেজড কাস্টোমারস, এমপাওয়ার্ড এমপ্লয়িজ অ্যান্ড অপটিমাইজড অপারেশনস’ শীর্ষক গোলটেবিল আয়োজন করেছে। রবিবার রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিনে এই আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ডাটা, শক্তিশালী ম্যাট্রিক্স এবং অ্যানালাইটিক্যাল টুলস ব্যবহার করে ওয়ার্কপ্লেস ইনসাইট তৈরি করা, কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং ব্যবসায় প্রক্রিয়ার প্রবৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন খাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) এবং তথ্যযুক্তি বিভাগের প্রধানরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইজেনারেশনের চেয়ারম্যান শামীম আহসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশ, ভুটান, ব্রুনাই দারুসসালাম এবং নেপালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফিফ মোহাম্মদ আলী।

ইজেনারেশনের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, সকল বৃহৎ ডিজিটাল ইকোনমিতে ডাটাকে নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে ধরা হয়। আগামীতে বাংলাদেশের সকল পাবলিক এবং প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার জন্য ডাটাকে ইনসাইট হিসেবে প্রস্তুত করা আবশ্যক হয়ে পড়বে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিদিনের কার্যক্রমে বিশাল পরিমাণ ডাটা তৈরি হয়, যা উৎপাদনশীলতায় প্রভাব, জনবলের কার্যকারিতা এবং কর্মীদের সম্পৃক্ততায় ব্যবহার করা যাবে। বিশ্বব্যাপী যেসব কোম্পানি এর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে তারা অধিক লাভের জন্য সেটি বাস্তবায়ন করেছে। এখন সময় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ডাটার যথাযথ ব্যবহার করা এবং ইনসাইটের মাধ্যমে তাদের টিমের কাজের ধরণে নতুন রূপান্তর করা।

মাইক্রোসফট বাংলাদেশ, ভুটান, ব্রুনাই দারুসসালাম এবং নেপালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফিফ মোহাম্মদ আলী বলেন, চতুর্থ শিল্প-বিপ্লবের এই যুগে, সকল সিএক্সও’দের কাছেই নিরাপত্তা সবচেয়ে বড় বিষয়। সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলো ক্লাউড সেবা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এটা শুধুমাত্র কার্যকারিতা এবং খরচ কমানোর জন্য নয়, পাশাপাশি ব্যবসায়ের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করা এবং বিদ্যমান সল্যুউশনের সঙ্গে নিরাপত্তা ও প্রাইভেসির মানও বাড়ানো।

স্থানীয় পাবলিক এবং প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে ইন্টেলিজেন্ট ক্লাউড এবং ইন্টেলিজেন্ট এজের সুবিধা গ্রহণ করতে পারে সেই লক্ষ্যে মাইক্রোসফটের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে ইজেনারেশন। মাইক্রোসফটের একমাত্র বাংলাদেশি এলএসপি হিসেবে ব্যবসায় মান পুন:গঠন, কর্মী ও গ্রাহকদের পার্সোনালাইজড অভিজ্ঞতা এবং ব্যবসায় প্রক্রিয়াকে অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে জনগণ, ডাটা এবং প্রক্রিয়াকে একত্রীকরণ করে দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে সরকার, মাইক্রোসফট এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে একাত্মভাবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্লোবাল সিস্টেমস ইন্টিগ্রেটর কোম্পানিটির অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যেমন ব্লকচেইন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ম্যাশিন লার্নিং, ডাটা সায়েন্স, ইন্টারনেট অব থিংস ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ টিম রয়েছে। রয়েছে আধুনিক বিশেষায়িত টুলস ও ফাংশনসহ সবদিক থেকে অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ, আইপিডিসি ফিন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মমিনুল ইসলাম। গোলটেবিলে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সেলিম আহমেদ খান, ইজেনারেশনের নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান এসএম আশরাফুল ইসলাম; তাহের আহমেদ চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড; ওমর ফারুক খন্দকার, প্রধান তথ্য প্রযুক্তি কর্মকর্তা, সোনালি ব্যাংক লিমিটেড; মো. মইনুল ইসলাম, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা, লংকা বাংলা সিকিউরিটিজ; শ্যামল বি দাশ, প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা, ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড প্রমুখ।

ইত্তেফাক/জেডএইচ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৫ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন