ঢাকা শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬
১৮ °সে

সুরক্ষিত ইকোসিস্টেমের গুরুত্ব

সুরক্ষিত ইকোসিস্টেমের গুরুত্ব

ড. এ কে আব্দুল মোমেন

একটি স্বাস্থ্যকর ইকোসিস্টেম সমাজে বসবাসকারী মানুষের জন্য বিভিন্নমুখী সুবিধার সৃষ্টি করে। এ কারণেই বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হলো ইকোসিস্টেমের পুনরুদ্ধার ও সুরক্ষা প্রদান এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ। অভীষ্ট-১৫ হিসেবে স্থলজ জীবনের এই সুরক্ষার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। এসডিজি-১৫ মূলত বাস্তুসংস্থান এবং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থলজ প্রাণীকুলের টেকসই ব্যবহার ও সুরক্ষার ওপর আলোকপাত করে।

জাতিসংঘের এসডিজি রিপোর্ট ২০১৮ অনুযায়ী, পৃথিবীর মোট বনভূমির পরিমাণ ক্রমাগত কমে আসছে। ২০০০ সালে মোট বনভূমির পরিমাণ ছিল ৪.১ বিলিয়ন হেক্টর (মোট ভূমির প্রায় ৩১.২ ভাগ)। ২০১৫ সালে পরিমাণ আরো কমে নেমে এসেছে প্রায় ৪ বিলিয়ন হেক্টরে (মোট ভূমির প্রায় ৩০.৭)। অবশ্য ২০০০-২০০৫ সময়ের মধ্যে বনভূমি উজাড়ের হার প্রায় ২৫ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে। ১৯৯৩ সাল থেকে বিভিন্ন হুমকিতে থাকা বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণীদের ‘বৈশ্বিক লাল তালিকা সূচক’ (গ্লোবাল রেড লিস্ট ইনডেক্স) ০.৮২ থেকে হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ০.৭৪-এ। এই তথ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, উভচর প্রাণী, কোরাল এবং সাইক্যাডের (মানুষের জন্য ক্ষতিকর এমন বৃক্ষ) সংখ্যা হ্রাসের ভীতিকর চিত্র ফুটে ওঠে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে একটি টেকসই স্থলজ জীবন গড়ে তোলার জন্য লড়াই করছে বাংলাদেশসহ এসডিজি স্বাক্ষরকারী অন্যান্য দেশ।

বাংলাদেশের মোট আয়তনের প্রায় অর্ধেকই জলাভূমি। এই জলাভূমির বাস্তুসংস্থান জুড়ে গড়ে উঠেছে বিস্তৃর্ণ আবাস। বিশেষ করে, এর অন্তর্ভুক্ত আছে তিনটি প্রধান নদী—পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র এবং তাদের প্রায় ৭০০-এর বেশি উপনদী ও শাখানদী, বিস্তৃর্ণ প্লাবনভূমি, স্থায়ী ও ঋতুভিত্তিক প্রায় ৬ হাজার ৩০০ বিল। প্রায় ৪৭টি বড়ো বড়ো হাওর (দক্ষিণাঞ্চলের গভীর প্লাবনভূমি), বাঁওড়, বিস্তৃর্ণ বন্যাপ্লাবিত এলাকা এবং পুকুর ও ট্যাংক। জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে বাংলাদেশ বদ্বীপ অঞ্চলের অধীনে ইন্দো-হিমালয়ান এবং ইন্দো-চাইনিজ উপ-অঞ্চলে অবস্থিত। এ দেশ ফ্লোরা ও ফোনার বায়োলজিক্যাল করিডর, ভূমি সেতু এবং বিভিন্ন জীব-জীবনের বৈচিত্র্যময় আবাসভূমি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ইকোসিস্টেম মূলত স্থলজ, জলজ, উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক বাস্তু নিয়ে গঠিত। বাংলাদেশের স্থলজ বনভূমির ধরনগুলো হলো— (১) নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের চিরহিত্ বনভূমি; (২) নাতিশীতোষ্ণ আংশিক চিরহরিত্ বনভূমি; (৩) নাতিশীতোষ্ণ আর্দ্র ক্ষণস্থায়ী বনভূমি; (৪) ম্যানগ্রোভ বন; (৫) মিঠাপানির জলার বন; (৬) দেশীয় বসতভিটার বনভূমি; এবং (৭) কৃত্রিম বা রোপণকৃত বনায়ন। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২.৫৮ মিলিয়ন হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৭.৫ ভাগ। বিস্তৃত এই অঞ্চলের প্রায় ১০.৫ ভাগ ব্যবস্থাপনা করে বন বিভাগ এবং বাকি অংশ অবিন্যাসকৃত এবং গ্রামীণ বনাঞ্চল। বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো একক প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিতি সুন্দরবন দেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত, যা বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট)। বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তৃত পতিত অঞ্চলকে বনায়নের আওতায় নিয়ে আসতে সফল হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর ভূমি ম্যানগ্রোভ বনায়নের অধীনে রয়েছে। উপকূলীয় বনায়ন প্রোগ্রাম আরো বেশি পরিমাণে ভূমি বনায়নের আওতায় নিয়ে আসার কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪০টি সংরক্ষিত এলাকা রয়েছে, যার মধ্যে ৩৮টি সংরক্ষিত এলাকা হলো বনাঞ্চলভিত্তিক, যার নিয়ন্ত্রণ করে বন বিভাগ। এদের মধ্যে ১৭টি জাতীয় উদ্যান, ২০টি বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রম এবং একটি বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা। সরকার ২০১০ সাল থেকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং তাদের আবাস হিসেবে মোট ২১টি অঞ্চলকে সংরক্ষিত এলাকা (সাতটি জাতীয় উদ্যান, ১২টি বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রম, একটি সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা এবং একটি বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা) হিসেবে ঘোষণা করেছে। দেশের মোট ৩৮টি সংরক্ষিত অঞ্চলের বিস্তৃতি মোট বনভূমির প্রায় ১০.৫৫ শতাংশ, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১.৮ ভাগ। বনভূমি সংরক্ষণের নানা উদ্যোগ গ্রহণ সত্ত্বেও ঝুঁকি কম নয়। বিলুপ্তির হুমকির মুখে রয়েছে নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী। বন্যপ্রাণী ও পশুপাখির ঝুঁকি বিবেচনার জন্য ব্যবহার করা হয় লাল তালিকা সূচক (আরএলআই)। লাল তালিকা সূচক হলো এমন একটি সূচক, যা আঞ্চলিক বা বৈশ্বিকভাবে বিলুপ্তির হুমকিতে রয়েছে, এমন নির্দিষ্ট প্রজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকিকে প্রকাশ করে; মান হিসেবে ব্যবহার করে ‘১’ থেকে ‘০’। এখানে ‘১’ হলো সবচেয়ে ভালো অবস্থান, যেখানে সব প্রজাতি বিলুপ্তি হুমকির বাইরে রয়েছে অথবা কম উদ্বেগী শ্রেণিতে (লিস্ট কনসার্ন ক্যাটাগরি) রয়েছে। অন্যদিকে ‘০’ হলো সবচেয়ে খারাপ অবস্থান, যেখানে আঞ্চলিক বা বৈশ্বিকভাবে বিলুপ্তির হুমকিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতি স্থান পায়। আন্তর্জাতিক স্কেলে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রে সর্বশেষ আরএলআই হলো ০.৮৬, পাখিদের ক্ষেত্রে ০.৯১, উভচর প্রাণীদের ক্ষেত্রে ০.৭৫ এবং প্রবালের ক্ষেত্রে ০.৮১। বিগত দুই দশক ধরে এই চারটি গ্রুপের আরএলআই আশঙ্কাজনকভাবে কমছে; যার মানে হলো পরিস্থিতি অবনতির দিকে গড়াচ্ছে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, উভচর প্রাণী, বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং বিভিন্ন খোলসযুক্ত প্রাণীর আরএলআই ০.৮০ এর চেয়ে বেশি। যার মানে হলো, এই চারটি শ্রেণির অবস্থান তুলনামূলক ভালো। কিন্তু স্তন্যপ্রায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রে অবস্থা বেশ গুরুতর। এদের আরএলআই প্রায় ০.৫০ এর কাছাকাছি। এই প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে জরুরি ভিত্তিতে সংরক্ষণ উদ্যোগ নিতে হবে। প্রজাপতি ও বিভিন্ন সরীসৃপ জাতের প্রাণীদের আরএলআই-ও খুব ভীতিকর অবস্থায় রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, বিলুুপ্তির হুমকিতে নেই, এমন শ্রেণির মধ্যে কম উদ্বেগী শ্রেণির হার (লিস্ট কনসার্ন ক্যাটাগরি) ২০১৫ সালে কমে ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০০ সালে যা ছিল ৫৩ শতাংশ। ১১ প্রজাতির দেশীয় পাখি চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ১১টি স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে যে ২টি প্রজাতিকে ২০০০ সালে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল, ২০১৫ সালে তা নতুন করে আবার খুঁজে পাওয়া গেছে। সরকারের জাতীয় জীববৈচিত্র্য মূল্যায়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে খোঁজ পাওয়া গেছে এই দুই প্রজাতির।

বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় জীববৈচিত্র্য মূল্যায়ন ২০১৫ জীববৈচিত্র্যের প্রতি সরাসরি হুমকি এমন কিছু বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে। সংরক্ষিত অঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বর্ধিত জনসংখ্যা একটি বড়ো হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য, গৃহস্থালীর জৈব ও অজৈব আবর্জনা এবং কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহূত বিভিন্ন রাসায়নিক যেমন— বালাইনাশক, কীটনাশক, আগাছানাশক এবং জৈবসার ইত্যাদিও ব্যবহারে স্থলজ ও জলজ বাস্তুসংস্থান দূষিত হয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। বনাঞ্চলের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য এরই মধ্যে গ্রহণ করেছে নানামুখী উদ্যোগ :

১. বৃক্ষনিধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা : ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে বনায়ন সংরক্ষণ করতে বৃক্ষনিধনের ওপর জারিকৃত নিষেধাজ্ঞা ২০২২ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এই নিষেধাজ্ঞা বর্ধিত করা হয়।

২. পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা (ইসিএএস) : বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর সেকশন ৫-এর অধীনে ১৩টি জীববৈচিত্র্যময় জলাভূমিকে পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে। পরিবেশগত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মোট বিস্তৃতি ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯২ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২.৬০ ভাগ। পরিবেশ বিভাগ এই অঞ্চলগুলো ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।

৩. বিশেষ জীবমণ্ডল সংরক্ষণ—রাতারগুল জলার বন (সোয়াম্প ফরেস্ট) : বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় অবস্থিত রাতারগুল হলো ছোটো একটি মিঠাপানির জলার বন (সোয়াম্প)। এই অঞ্চলের বন, পরিবেশ ও বাস্তুসংস্থান সংরক্ষণের জন্য সরকার ২০১৫ সালের মে মাসে রাতারগুলকে একটি বিশেষ জীবমণ্ডল সংরক্ষণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে।

৪. ভালচার সেইফ জোন : সিলেট ও খুলনা অঞ্চলে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে পরিবেশ অধীদপ্তর দুটি বিশেষ ‘ভালচার সেইফ জোন’ ঘোষণা করে।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই সকল পরিকল্পনা দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। যদিও ভূমির টেকসই ব্যবহার ও ইকোসিস্টেম সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এখনো রয়ে গেছে নানা রকম চ্যালেঞ্জ। জিইডি-২০১৫ অনুযায়ী বনাঞ্চলের লক্ষ্য অর্জনে প্রধান প্রতিবন্ধকতাসমূহ হলো— বনভূমির সুস্পষ্ট সীমা সম্পর্কে সঠিক তথ্য না থাকা, ভূমিসংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা, কাঠের চাহিদা, জ্বালানি কাঠ, খুঁটি ও চারগাছ, রান্নাবান্নার জন্য জ্বালানি কাঠের ব্যবহার, ইট পোড়ানো এবং তামাক শোধন/নিরাময়, কুঁড়েঘর নির্মাণ, পানের বরজে আচ্ছাদন নির্মাণ, পার্বত্য-চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভূমি দখল নিয়ে বিরোধ এবং অপর্যাপ্ত মানবসম্পদ ও প্রয়োজনীয় রসদ সংকট ইত্যাদি। উপরিউক্ত চ্যালেঞ্জগুলোর পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা কক্সবাজার, টেকনাফ অঞ্চলের বনভূমির ওপর ভীষণ চাপ সৃষ্টি করছে। এরই মধ্যে বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রায় ৬ হাজার একর বনভূমি শরণার্থীদের অস্থায়ী বসবাসের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শরণার্থীরা রান্নাবান্নার জন্য বনের কাঠ কেটে নিচ্ছে, যা এ অঞ্চলের বনসম্পদকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে; কমিয়ে দিচ্ছে বনসম্পদের পরিমাণ।

সুন্দরবন দক্ষিণ বন্যপ্রাণী আশ্রয়স্থল (ডব্লিউএস) এবং কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান (এনপি) মানুষের ইচ্ছাকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং নানা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ফলে নেতিবাচক প্রভাবের শিকার হচ্ছে। কৃষি ও জলজ শ্রেণির মধ্যে সবচেয়ে বেশি হুমকির সম্মুখীন মধুপুর জাতীয় উদ্যান। এই সকল হুমকির মূলে রয়েছে বার্ষিক ও বহুবার্ষিক (দীর্ঘমেয়াদি) ফসল চাষাবাদ, রাবার ও একাশিয়া জাতের গাছের চাষ এবং উদ্যানের ভেতর গবাদিপশু চারণ ইত্যাদি। তা ছাড়া আবাসিক ও বাণিজ্যিক উন্নয়নও এই বনভূমির ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান হুমকি হিসেবে থাকছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বনাঞ্চলে বৃক্ষের ঘনত্ব যে সন্তোষজনক নয়, এই বিষয়টি বুঝতে পেরে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (জিইডি, ২০১৫) বৃক্ষের ঘনত্ব ৭০ ভাগেরও বেশি বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিকল্পিত সময়ের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর পাহাড়ি বন এবং ৫ হাজার হেক্টর সমতল ভূমির বনায়ন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপকূলীয় বিদ্যমান বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু রাখতে হবে। ভূমির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করে একটি সুরক্ষিত স্থলজ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

n লেখক :পররাষ্ট্রমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন