ঢাকা শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১২ মাঘ ১৪২৭
২০ °সে

‘কাছের মানুষ চলে যাওয়ার ক্ষতটা ব্যাখ্যা করার মতো না:ববিতা

‘কাছের মানুষ চলে যাওয়ার ক্ষতটা ব্যাখ্যা করার মতো না:ববিতা
এফডিসি প্রাঙ্গণে মাহফুজুর রহমান খানের জানাজায় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা

ক্যামেরায় আর চোখ রাখা হবে না বরেণ্য চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ২৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সংস্কৃতি অঙ্গনের তারকাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। গতকাল বাদ জুমা চকবাজারের শাহী মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকেল ৩টায় শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাকে নেওয়া হয় এফডিসিতে। সবশেষ তাকে দাফন করা হয় আজিমপুর কবরস্থানে।

২৬ নভেম্বর রাতে খাবার খেতে গিয়ে ফুসফুসে খাবার ঢুকে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে রাজধানীর গ্রিনলাইফ হাসপাতালে নিয়ে যান। তারপর সেখানে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। এরপর রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল তাকে। মাহফুজুর রহমান খান পেশাদার চিত্রগ্রাহক হিসেবে ১৯৭২ সালে প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করেন।

জন্ম:১৯ মে, ১৯৪৯- মৃত্যু:৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

এরপর আলমগীর কবির, আলমগীর কুমকুম, হুমায়ূন আহমেদ, শিবলি সাদিকের মতো চলচ্চিত্র পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেন। চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ছাড়াও ৮ বার বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন। তার এই চলে যাওয়া প্রসঙ্গে ববিতা বলেন, ‘কাছের মানুষ চলে যাওয়ার ক্ষতটা ব্যাখ্যা করার মতো না। মেধাবী একজন মানুষকে আমরা হারালাম। সিনেমার ফ্রেমের যে ভাষা রয়েছে, তা তার কাছ থেকে শেখার অনেক রয়েছে। তার আত্মার শান্তি কামনা করি।’ সূচন্দা বলেন, ‘হুট করে খবরটা শুনে প্রথমে গুঞ্জন মনে হলো। পরে খবরটি যখন নিশ্চিত হই স্বাভাবিকভাবে খারাপ লাগলো। ওপারে ভালো থাকুক তিনি।’ ওমর সানী বলেন, ‘তার হাত ধরেই আমার ফিল্ম ক্যারিয়ার শুরু। সেই জায়গা থেকে তার এই চলে যাওয়াটা যে কতটা ক্ষত তৈরি করে দিয়ে গেল তা ব্যাখ্যা করার মতো না। দোয়া করি তার জন্য। ওপারেও যেন ভালো থাকেন।’

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৫ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন