ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৫ মাঘ ১৪২৭
১৭ °সে

ক্ষতিগ্রস্ত সড়কসহ বাড়িঘর কৃষিজমি!

ক্ষতিগ্রস্ত সড়কসহ  বাড়িঘর কৃষিজমি!

কুশিয়ারায় ভাঙন

মো. আব্দুল হাই, জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা

জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি, পাইলগাঁও ও রানীগঞ্জ ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে যাওয়া কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে শত শত বাড়িঘর, আবাদি জমিসহ বিলীন হয়ে গেছে এলজিইডির জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ-বেগমপুর সড়ক। দীর্ঘদিন সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও এখন ছোট যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। যাতায়াত সমস্যায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গত বর্ষা মৌসুম থেকেই কুশিয়ারা নদীর প্রবল স্রোত আর ঢেউয়ে বেগমপুর সড়কটি ধীরে ধীরে নদীতে বিলীন হতে থাকে।

সরেজমিনে জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়কটি দেখতে গিয়ে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে। অধিকাংশ বাসিন্দা তাদের নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়া বাড়ি-ঘর, আবাদি জমির বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। নদীভাঙনের কবল থেকে বাড়িঘরসহ সড়ক পথ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি জানান।

কাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম ইত্তেফাককে জানান, কুশিয়ারা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্রমান্বয়ে বিলীন হতে চলেছে এলজিইডির সড়ক এবং নদী তীরবর্তী ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা। অসংখ্য পরিবার এরই মধ্যে গৃহহারা হয়েছেন। ঐ এলাকার ভাঙাবাড়ী নামক স্থানে নদীভাঙনের ভয়াবহতা ভয়ংকর রূপ নিয়েছে।

আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেচী গ্রামের বাসিন্দা মসহুদ আহমদ জানান, কুশিয়ারা নদীর ভাঙন ভয়াবহ। এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ভিটেমাটি। এছাড়াও ফেচীর বাজারসহ পাইলগাঁও ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের হাটবাজার, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, ঘর-বাড়িসহ সড়ক পথ ভাঙনের হুমকিতে। সাম্প্রতিক সময়ে কুশিয়ারা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের জনসাধারণের যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডির) জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার ইত্তেফাককে জানান, জগন্নাথপুর পৌরসভার সীমান্ত থেকে শিবগঞ্জ-পাইলগাঁও হয়ে বেগমপুর পর্যন্ত ১৫.৩৯০ কিলোমিটার সড়কের নদীভাঙন প্রতিরোধসহ পুনর্সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৮ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন