ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৫ মাঘ ১৪২৭
২৪ °সে

সামনের সড়কে নেই গতিরোধক!

সামনের সড়কে  নেই গতিরোধক!
ধামইরহাট (নওগাঁ) :মহাসড়কে গতিরোধক না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপারের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা —ইত্তেফাক

নওগাঁর ২০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

আব্দুল্লাহ হেল বাকী, ধামইরহাট (নওগাঁ) সংবাদদাতা

নওগাঁ-ধামইরহাট-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে স্কুলের সামনে গতিরোধক ও ফুটওভার ব্রিজ না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে রাস্তা। এ কারণে বিগত কয়েক বছরে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীদের পরিবারের পক্ষ থেকে স্কুলের সামনের সড়কে স্পিডব্রেকার ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নওগাঁ-ধামইরহাট-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের ১২ কিলোমিটার রাস্তার পার্শ্বে প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। উপজেলার এই আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। দূরপাল্লা এবং অভ্যন্তরীণ যানবাহনগুলো দ্রুত গতিতে চলাচল করে। ফলে প্রতিনিয়ত রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটছে।

এ ব্যাপারে কোকিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মহসিনা ও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মাহিব হাসান জানায়, আমরা অনেক ভয় নিয়ে রাস্তা পার হই। আর রাস্তায় সার্বক্ষণিক যানবাহন দ্রুত গতিতে চলাচল করে। এখানে গতিরোধক ব্যবস্থা থাকলে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে রাস্তা পার হতে পারত।

ঐ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সিরাজুল ইসলাম ও এরশাদুল আলম বলেন, স্কুলের দক্ষিণ পার্শে বড়ো রাস্তা। তাদের সন্তানদেরকে রাস্তা পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। তাই অভিভাবকদের শঙ্কার মধ্যে থাকতে হয়।

কোকিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আকতার বলেন, তার বিদ্যালয় এ আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন উত্তর পার্শে অবস্থিত। ফলে সড়কের দক্ষিণ এলাকার শিক্ষার্থীরা এ সড়ক পার হয়ে তার স্কুলে আসতে চায় না। তাছাড়া বিদ্যালয়ের সামনে স্পিডব্রেকার না থাকায় ঐ এলাকায় অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে তার এক শিক্ষার্থী বাস চাপায় মারা গেছে। অপর এক শিক্ষার্থী ইজিবাইকের ধাক্কায় পা হারিয়েছে।

চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম খেলাল-ই-রব্বানী জানান, উপজেলার বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে। তাই শিক্ষার্থীদেরকে খুব সতর্কতার সঙ্গে রাস্তা পার হতে হয়। অনেক সময় তাদের দুর্ঘটনায় পড়তে হচ্ছে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগ নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হামিদুল হক জানান, যদি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার নির্মাণের প্রয়োজন হয়, তবে জেলা প্রশাসক বরাবর ঐ প্রতিষ্ঠানকে আবেদন করতে হবে। আবেদন গৃহীত হলে ঐ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা হবে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৮ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন