ঢাকা শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২১ °সে


গঙ্গাচড়ায় তিস্তায় জেগেছে চর ঘোষণা হচ্ছে বালুমহাল!

গঙ্গাচড়ায় তিস্তায় জেগেছে চর  ঘোষণা হচ্ছে বালুমহাল!
গঙ্গাচড়া (রংপুর) :তিস্তায় জেগে ওঠা চর। ছবিটি মহিপুর এলাকা থেকে তোলা —ইত্তেফাক

গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা

বর্ষা শেষ হতে না হতেই গঙ্গাচড়ায় তিস্তায় জেগে উঠেছে চর। ড্রেজিং করার লক্ষ্যে তিস্তার ঐ চরকে বালুমহাল ঘোষণা করতে যাচ্ছে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। আর এতে বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়।

তিস্তার চরে কাজ শেষে পায়ে হেঁটে নদী পার হয়ে আসা লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন জানান, তিস্তায় এখন হাঁটু পানি। পায়ে হেঁটে পার হওয়া যায় সহজেই। পানির অভাবে ঠিকমতো চাষবাস হয় না।

মহিপুর গ্রামের এক সময়ের প্রভাবশালী কৃষক আব্দুল জলিল সাজু বলেন, আগের মতো নদীতে পানি নেই। শ্যালো দিয়ে পানি সেচ দেওয়ায় কৃষকদের উত্পাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বলেন, শুকনো মৌসুমে তিস্তার অবস্থা করুণ থাকে। ড্রেজিং করেও কোনো কাজ হয়নি। আবারও ড্রেজিং করতে হবে। শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদী শাসন করলে কূলবর্তী অনেক কৃষক সেচ সুবিধা পেত। এতে বিভিন্ন ফসলের উত্পাদন বাড়ত। সেই সঙ্গে কৃষকদের উত্পাদন খরচ কমে যেত।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, এ বছর তিস্তার চার কিলোমিটার অংশ ড্রেজিং করা হয়। তবে অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। এ কারণে নতুন পরিকল্পনা হিসেবে তিস্তার চরাঞ্চলকে বালুমহাল ঘোষণা করা হবে। টেন্ডারের মাধ্যমে তিস্তার বালু বিক্রি করা হবে। এতে নদীর ডেজিংও হবে, সেই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব আয় হবে।

উল্লেখ্য, উপজেলার নোহালী ইউনিয়ন থেকে কাউনিয়া উপজেলা পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার তিস্তা নদী।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন