ঢাকা বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬
২১ °সে


বাইশারিতে গাছফড়িংয়ের আক্রমণে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

বাইশারিতে গাছফড়িংয়ের আক্রমণে  আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি
লামা (বান্দরবান) : বাইশারিতে বাদামি গাছফড়িং পোকার আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত আমনের খেত —ইত্তেফাক

লামা উপজেলার পার্শ্ববর্তী বাইশারি ইউনিয়নে আমন ধানে বাদামি গাছফড়িং পোকার আক্রমণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই পোকা দমনের বিষয়ে কৃষকদের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় পোকার আক্রমণের পর আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয় বলে জানা গেছে। পোকার আক্রমণের পর আমন ধানের চাষিরা অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বলে অনেক কৃষক জানিয়েছেন।

কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৩ হাজার ৩৩৪ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। আমন ধানের জমিতে বাদামি গাছফড়িং পোকার আক্রমণের কারণে এ বছর খেতের ফলন আশানুরূপ হবে না বলে অনেক কৃষক আশঙ্কা করছেন।

বাইশারির পূর্ব বিচা মারার কৃষক ছৈয়দ হোসেন জানান, তিনি দুই একর জমিতে আমন ধানের চাষ করেছেন। কিন্তু পোকার আক্রমণে অধিকাংশ জমির ধানগাছ মরে গেছে। একই এলাকার কৃষক আব্দুল মালেক, মোক্তার আহমদ ও ছৈয়দ কাশেম জানান, তাদের লাগানো আমন ধানের খেত মরে গেছে। আমন ধানের আশানুরূপ ফলন না হওয়ার আশঙ্কায় কৃষকরা উদ্বিগ্ন।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিবুল ইসলাম রাজীব জানান, এই পোকাটিকে মূলত বাদামি গাছফড়িং বলা হয়। বর্তমান আবহাওয়া পোকার অনুকূলে থাকায় দ্রুত পোকার প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে পোকা দ্রুত আক্রমণ করতে সক্ষম হচ্ছে। স্প্রে করলে ৫/৬ দিনের মধ্যে এই পোকা দমন সম্ভব। পোকার আক্রমণের পর আমন খেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই পোকা প্রজননের মাধ্যমে কয়েক সপ্তাহে কয়েক লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস জানান, উপজেলার অধিকাংশ আমন ধানের খেতে বাদামি গাছফড়িং পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। যা মহামারি পর্যায়ে হলেও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. এ কে এম নাজমুল হক জানান, পোকার আক্রমণ বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পোকার আক্রমণ দমনে কৃষি বিভাগ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কৃষকদের ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। পোকা দমনে কৃষি বিভাগের যথেষ্ট উপকরণ রয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৩ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন