ঢাকা শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬
২১ °সে

‘‌নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করাও আচরণ বিধি লঙ্ঘন’

‘‌নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করাও আচরণ বিধি লঙ্ঘন’
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করাও এক ধরনের নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

তিনি বলেন, যেকোনো নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ উপস্থাপন করা এবং নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা নিয়ে ছোট খাটো যে ঘটনা গুলো হচ্ছে, সেগুলো বিদেশিদের কাছে উপস্থাপন করাও তো এক প্রকার নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন হাছান মাহমুদ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইভিএম নিয়ে বিএনপি হাইকোর্টে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে তারা হাইকোর্টে গিয়েছিল ইভিএম এর বিরুদ্ধে। হাইকোর্ট তাদের পক্ষে রায় দেয়নি। সর্বোচ্চ আদালতে তাদের অবেদন রিজেক্ট করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, যেখানে হাইকোর্ট তাদের পক্ষে রায় দেয়নি, আবার সেই একই নালিশ বিদেশিদের কাছে গিয়ে উপস্থাপন করা তো আদালত অবমাননার শামিল এবং যেকোনো নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কাছে অভিযোগ করা এটিও তো আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির কোনো অভিযোগ থাকলে তা ভোটার ও জনগণের কাছে উপস্থাপন করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে বিদেশি রাষ্ট্রদূতের কাছে উপস্থাপন করা অনেকেই মনে করেন এটিও এক প্রকার আদালত আবমাননার শামিল।

বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইভিএম হচ্ছে একটি অধুনিক প্রযুক্তি। পুরো ভারত বর্ষের সাধারণ নির্বাচনে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হয়েছে এবং ভারতে এই ভোট গ্রহণ বিষয়ে তেমন কোনো অভিযোগ ওঠেনি। যুক্তরাষ্ট্রেও ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, এই অধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে কেন ভোট গ্রহণের বিরোধীতা করছে বিএনপি তা আমরা বোধগম্য নয়। তবে বিএনপি সব সময়ে অধুনিক প্রযুক্তির বিরোধীতা করে। কারণ তারা প্রযুক্তিকে ভয় পায়।

আরও পড়ুন: ঢাকা সিটি নির্বাচনে ১২৯ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বিনামূল্যে সাবমেরিন ক্যাবল বাংলাদেশকে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তখনকার সরকার প্রধান খালেদা জিয়া সাবমেরিন ক্যাবল সুবিধা গ্রহণ করেননি। কারণ তিনি ভেবে ছিলেন যে দেশের অভ্যন্তরীণ গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে। কিন্তু পরবর্তিতে আওয়ামী লীগের সরকারের সময় কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করে সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে সংযুক্ত হতে হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচনে তারা পরিজিত হবে তা বুঝতে পেরে আগে থেকেই নির্বাচনকে বিতর্কিত করার পথ তৈরি করার চেষ্টা করছে। বাসস

ইত্তেফাক/কেকে

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন