ঝামেলাবিহীন কেনাকাটা মোহাম্মাদপুরের সারা’র আউটলেটে

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

‘সারা’র নতুন আউটলেটে পোশাক দেখছেন অভিনেত্রী তিশা ও অভিনেতা ইমন। ছবি: সংগৃহীত

সুসজ্জিত আউটলেট। গোছানো একটি পরিবেশ। নেই কোনো ঝক্কি-ঝামেলা। বলা হচ্ছিল স্নোটেক্স গ্রুপের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সারা’র কথা। শনিবার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মাদপুরের রিং রোডে ‘সারা’র নতুন আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হলো। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘সারা’ লাইফস্টাইল ও স্নোটেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম খালেদ, পরিচালক শরীফুন নেসা, বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল এবং অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা এবং চলচ্চিত্র অভিনেতা মামনুন হাসান ইমনসহ আরো আনেকে। 

‘সারা’র নতুন আউটলেট মিলছে, শার্ট, এথনিক টপস, এক্সক্লুসিভ পার্টি টপস, শাড়ি, নিট টি শার্ট, লেগিংস, ডেনিম, লন, শ্রাগস, পালাজো ফর লেডিস এন্ড গার্লস, জিন্স ফর মেনজ এন্ড বয়েজ, পোলো টি শার্ট, পাঞ্জাবিসহ আরো নানা পোশাক। এছাড়াও শীতকালকে লক্ষ্য রেখে ‘সারা’ নিয়ে আসছে জ্যাকেট এবং শীতকালীন পোশাকের বিশেষ আয়োজন। 

‘সারা’ ৩য় আউটলেটটি মোহাম্মাদপুরের রিং রোডে অবস্থিত। বাড়ি- ১৯ বি/৪সি ও বি/৪ ডি, ব্লক-এফ, রিং রোড। আদাবর থানার অপজিটে। 

‘সারা’ কাজ শুরু করেছে ২০১৮ সালের মে মাস থেকে। ঢাকার মিরপুর-৬ এ অবস্থিত ‘সারা’র প্রথম আউটলেট নিয়ে কাজ শুরুর পর বসুন্ধরা সিটির লেভেল ১, ব্লক ‘এ’ এর ৪০ এবং ৫৪ নং শপটি ছিলো সারার ২য় আউটলেট।

মোহাম্মাদপুরে ‘সারা’র আউটলেট উদ্বোধন করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

‘সারা’র আউটলেট ছাড়া অনলাইনেও পোশাক অর্ডার করে ঢাকার ভেতরে বিনামূল্যে হোম ডেলিভারি পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে, সারা এর ওয়েবসাইট (www.saralifestyle.com.bd), ফেসবুক পেজ (www.facebook.com/saralifestyle.bd) এবং ইন্সটাগ্রাম (sara_lifestyle_ltd) থেকে ক্রেতারা সহজেই অর্ডার করতে পারবেন। 

উল্লেখ্য, ‘স্নোটেক্স’ ২০০০ সালে বায়িং হাউজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।  ২০০৫ সালে নিজেদের প্রথম কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে স্নোটেক্স অ্যাপারেলস। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে ‘কাট অ্যান্ড সিউ’ এবং ২০১৪ সালে ‘স্নোটেক্স আউটারওয়্যার’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। আজকের ‘স্নোটেক্স’ হয়ে উঠেছে তিনটি বড় কারখানার একটি প্রতিষ্ঠান রূপে। ‘সারা’ তাদের প্রথম লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড। 

স্নোটেক্স আউটারওয়্যার গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে ইউএসজিবিসির লিড গোল্ড সার্টিফিকেটে। এছাড়াও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘হেলথ এন্ড সেফটি’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে স্নোটেক্স।  এটি এখন ১০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান করে যাচ্ছে। যেটি ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গা হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়াও খুব শিগগিরই ঢাকার উত্তরা এবং বারিধারা জে ব্লকে ‘সারা’ নতুন আউটলেট যাত্রা শুরু করবে। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ