ঢাকা বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
৩০ °সে


বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির মতবিনিময় সভায়

বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির মতবিনিময় সভায়
'সাম্প্রতিক এবং রাজনৈতিক বিষয়' শীর্ষক সেমিনারে আলোচকবৃন্দ। ছবি: ইত্তেফাক

বাংলাদেশের উন্নয়নে বন্ধু রাষ্ট্রগুলো থেকে সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত 'সাম্প্রতিক এবং রাজনৈতিক বিষয়' শীর্ষক মতবিনিময় সভায়। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পঞ্চাশতম বছরে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে চায়। আর সে লক্ষ্য পূরণে উন্নয়ন সহযোগীদের পাশে থাকার আহ্বান জানান উপস্থিত আলোচকবৃন্দ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের নিয়ে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়।

আলোচনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, 'বাংলাদেশ ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তাদের প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখেছে। আর এই উন্নয়নের পথে যারা অংশীদার তাদের কাছ থেকে আরও সহায়তা প্রয়োজন।'

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার শাহ আলী ফারহাদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি (এমপি), আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সভাপতি মো. জমির এবং সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ। এ ছাড়াও জার্মান ও স্পেনসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘শুদ্ধি অভিযান আইন শৃঙ্খলার জন্য নয়, ক্ষমতার দ্বন্দ্বের’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী দুই বছর বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে আমরা মুজিব বর্ষ উদযাপন শুরু করব। সেখানে অংশগ্রহণের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি আমরা। তারাও আসবে বলে জানিয়েছে। ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির পাশাপাশি আমরা মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে চাই। বাংলাদেশ যে পথে হাঁটছে, সে পথে হাঁটলে আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। বাংলাদেশ তখন হবে উন্নত দেশ। এ সবই সম্ভব যদি আমাদের উন্নয়ন সহযোগী অংশীদাররা আমাদের সাথে থাকেন।

উপস্থিত কূটনীতিকদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের নিজ নিজ দেশের দক্ষতাগুলো আমাদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে সহায়তা করলে আমাদের দেশের তরুণরাও দক্ষ হয়ে গড়ে উঠবে। বর্তমানে দেশে মোট জনসংখ্যার ৪৯ শতাংশের বেশি তরুণ। তাদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশ ঠিকই উন্নত দেশে পরিণত হবে।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। আমরা কারো সাথে বৈরি সম্পর্কে বিশ্বাসী নই। আমরা এখনো আশা করি মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করবে। সেই সাথে এটিও বলতে চাই, রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের একার সমস্যা নয়। এটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই বিশ্ব নেতাদের এটি নিয়ে ভাবা উচিত। আমরা যদি তখন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিতাম, তাহলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্ববৃহৎ গণহত্যার শিকার হতো রোহিঙ্গারা। আমরা আশা করি বিশ্ব নেতারা এ বিষয়ে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করবে। সেই সঙ্গে অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দরাও মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে বোঝাবে।

ইত্তেফাক/এএএম

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন